নরেন্দ্র মোদী জীবনী 2022 – শিক্ষা, পরিবার, সম্পত্তি এবং অন্যান্য বিবরণ

নরেন্দ্র মোদী কে? কোথায় বাড়ি? জীবনে কিভাবে সফল হয়েছেন? আসুন জেনে নিন নরেন্দ্র মোদীর জীবন পরিচয়, পরিবার, শিক্ষা, মোট সম্পত্তি ও রাজনৈতিক বিবরণ জানুন (Biography of Narendra Modi in Bengali)।

নরেন্দ্র মোদী, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব যিনি দেশে এবং বিদেশে সব জায়গাতেই বিখ্যাত।

নরেন্দ্র মোদী জীবন পরিচয় - Narendra Modi Biography in Bengali
নরেন্দ্র মোদী জীবন পরিচয় – Narendra Modi Biography in Bengali

নরেন্দ্র মোদী আমাদের দেশে ১৫ তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে এবং আবারও ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদী একত্রে ভারতীয় জনতা পার্টির সাথে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকে নরেন্দ্র মোদী ভারতের উন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। যদিও মোদীজি কেও অনেক বিতর্কে জড়াতে দেখা গিয়েছে, তবে তার নীতিগুলি সর্বদা প্রশংসিত হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদীর জীবনী সম্পর্কে জানা যাক: 

  • সম্পূর্ণ নাম: নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী অথবা নরেন্দ্র মোদী
  • জন্ম: ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৫০
  • জন্মস্থান: গুজরাট, ভারত
  • জাতীয়তা: তিনি ভারতীয়
  • পিতার নাম: দামোদর দাশ মূল চাঁদ মোদী
  • মাতার নাম: হিরাবেন মোদী
  • রাজনৈতিক দল: ভারতীয় জনতা পার্টি
  • স্ত্রীর নাম: যশোদা বেন নরেন্দ্র বাই মোদী
  • ধর্ম: হিন্দু ধর্ম
  • মুখ্যমন্ত্রী: ২০০১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন
  • প্রধানমন্ত্রী: ২০১৪ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ভারত এর প্রধানমন্ত্রী আছেন।

নরেন্দ্র মোদীর শৈশবকাল: 

তিনি গুজরাট রাজ্যের মেহসানা জেলার একটি ছোট্ট শহর ভাদনগরে জন্মগ্রহণ করেন। তখন এই জায়গাটি বোম্বেতে ছিল। কিন্তু এখন এটি গুজরাটে অবস্থিত। তবে নরেন্দ্র মোদীর পারিবারিক আর্থিক অবস্থা খুব ভালো ছিল না।

তার বাবা ছিলেন একজন রাস্তার ব্যবসায়ী, যিনি তার পরিবার এর খাবার জেটানোর জন্য খুবই কষ্ট করেছেন। মোদিজীর মা একজন গৃহবধূ ছিলেন। ছোটবেলায় পরিবারের ভরণপোষণের জন্য মোদী জী তার ভাই দের সঙ্গে রেল স্টেশনে এবং বাস টার্মিনালে চা বিক্রি করেছেন। পরবর্তীকালে নিজেও চায়ের দোকান দিয়েছিলেন।

আট বছর বয়সে আরএসএস (RSS) এর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর মোদি পরবর্তী সময়ে এই সংগঠনের সঙ্গে পথ চলতে শুরু করেন। ১৯৮৫ সালে বিজেপির হয়ে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন রকমের প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন এবং তিনি তার সাহসিকতার জোরে সমস্ত চ্যালেঞ্জ কে সুযোগ হিসেবেই গ্রহণ করেছেন।

নরেন্দ্র মোদীর পরিবার: 

নরেন্দ্র মোদী, তিনি মোধ – ঘাঞ্চি – তেলি সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। যেটি ভারত সরকার কর্তৃক অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর অন্তর্গত বলা যায়। তিনি বাবা-মায়ের তৃতীয় সন্তান, নরেন্দ্র মোদীর বড় ভাই সোমা মোদীর বয়স বর্তমানে ৭৫ বছর। তিনি স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক ছিলেন, আরেকটি ভাই অমৃত মোদী একজন মেশিন অপারেটর, যার বয়স ৭২ বছর।

নরেন্দ্র মোদির আরো দুটি ছোট ভাই রয়েছে, একজন প্রহ্লাদ মোদী যার বয়স ৬২ বছর, তিনি আহমেদাবাদে একটি দোকান চালান এবং আরেকটি ভাই হলো পঙ্কজ মোদী, যিনি গান্ধীনগরে তথ্য বিভাগে কেরানি হিসেবে কাজ করছেন।

নরেন্দ্র মোদীর শিক্ষা জীবন: 

নরেন্দ্র মোদীর প্রাথমিক শিক্ষা ভাদনগরের স্থানীয় স্কুল থেকে সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি সেখানে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেছিলেন। তার পরে পরিবারের আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটলে বাড়ি ছেড়ে চলে যান এবং বিভিন্ন সংস্কৃতি আবিষ্কার করতে সমগ্র ভারত ভ্রমণ করেন।

আর এই কারনেই উত্তর ভারতে অবস্থিত ঋষিকেশ এবং হিমালয়ের মতো জায়গাও তিনি পরিদর্শন করেছেন। উত্তরপূর্বের বিভিন্ন অংশে দুই বছর ভ্রমণ করার পর নরেন্দ্র মোদী ভারতে ফিরে আসেন। আর এইভাবে স্কুলের পড়াশুনা শেষ করে কয়েক বছর আর পড়াশোনা করেননি নরেন্দ্র মোদি।

এরপর ১৯৭৮ সালের উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তারপরে আহমেদাবাদের গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে নরেন্দ্র মোদীর রাষ্ট্রবিজ্ঞানে যথাক্রমে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর করেন।

নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত জীবন: 

তিনি ঘাঞ্চি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য অনুসারে ১৮ বছর বয়সে যশোদা বেন চিমনলাল এর সাথে ১৯৬৮ সালে বিবাহ করেছিলেন। রিপোর্ট অনুসারে বলা যায় যে, নরেন্দ্র মোদি তার স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ করেন নি, তবুও তারা দুজনে একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে ছিলেন।

যশোদা বেন গুজরাটের একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে কাজ করতেন। তবে তিনি বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত, সন্তান হিসেবে বলতে গেলে নরেন্দ্র মোদীর কোন সন্তান নেই। বিয়ের কিছুদিন পর তারা আলাদা থাকতে শুরু করেন। নরেন্দ্র মোদির বাড়ি উত্তর দিল্লিতে, যার নাম পঞ্চবটি, তিনি গুজরাটের বাসিন্দা।

নরেন্দ্র মোদীর রাজনীতি জীবনে প্রবেশ: 

যেহেতু তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন, কলেজে পড়াশোনা শেষ করার পর অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদে যোগ দেন এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় সংঘ সেবক সংঘ আরএসএস (RSS) তে যোগদানের জন্য সম্পূর্ণ সময়ের প্রচারক হিসেবে আহমেদাবাদে যান।

তারপর ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দ্বারা জারি করা জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ কে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। যার কারণে নরেন্দ্র মোদী সেই সময় আন্ডারগ্রাউন্ডে যেতে বাধ্য হন এবং গ্রেফতার যাতে না হন সেই কারণে ছদ্মবেশে ভ্রমণ করতেন।

এরপর রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে যোগদান করেন, নরেন্দ্র মোদী কে RSS এ লেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১৯৮৫ সালের নরেন্দ্র মোদী আর এস এস এর মাধ্যমে ভারতীয় জনতা পার্টি অর্থাৎ বিজেপি পার্টিতে যোগ দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। ১৯৮৭ সালে সম্পূর্ণ রূপে বিজেপিতে যোগদান করেন এবং প্রথমবারের মতো তিনি আহমেদাবাদ পৌর নির্বাচনে বিজেপির প্রচার অভিযান সংগঠিত করতে সাহায্য করেন, যেখানে বিজেপি জয়লাভ করেছিল।

নরেন্দ্র মোদীর রাজনৈতিক জীবন: 

নরেন্দ্র মোদী ১৯৮৭ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি অর্থাৎ বিজেপিতে যোগদান করার পর খুবই দ্রুত পদের উন্নতি করতে থাকেন। কারণ তিনি একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ব্যক্তি ছিলেন। নরেন্দ্র মোদী ব্যবসা, ছোট সরকার এবং হিন্দু মূল্যবোধের বেসরকারি করনের প্রচার করেন আবার একই বছরে দলের গুজরাট শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালে এল কে আডবাণী কে অযোধ্যা রথযাত্রা পরিচালনা করতে সাহায্য করেছিলেন। যেটা ছিল তার প্রথম জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক কাজ। এরপর ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ সালে মুরলী মনোহর যোশীর একতা যাত্রা হয়েছিল ১৯৯০ সালে। গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের পরে গুজরাটে বিজেপির উপস্থিতি সুসংহত করতে নরেন্দ্র মোদি একটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তারপর ১৯৯৫ সালে নির্বাচনে এই দলটি ১২১ টি আসন জিতেছিল। যার ফলে প্রথমবারের মতো গুজরাটে বিজেপি সরকার গঠন করে দলটি একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ক্ষমতায় ছিল। ১৯৯৬ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ হয়ে যায়। এরপর ১৯৯৫ সালে হিমাচল প্রদেশ ও হরিয়ানা এর কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য নরেন্দ্র মোদী বিজেপির জাতীয় সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং তিনি নতুন দিল্লিতে চলে যান।

তারপর ১৯৯৮ সালে যখন বিজেপিতে অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের চলছিল, সেই সময়ে বিজেপির নির্বাচনী বিজয়ের পথ তৈরি করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। এই একই বছরে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন নরেন্দ্র মোদি। ২০০১ সাল পর্যন্ত এই পদে কর্মরত ছিলেন, সেই সময়ে বিভিন্ন রাজ্যের দলীয় সংগঠনকে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব সফলভাবে পালন করার জন্য নরেন্দ্র মোদি কে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছিল।

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী: 

২০০১ সালে প্রথমবারের মতো বিধানসভা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং রাজকোটের দুটি আসনের একটিতে তিনি জয়লাভ করেছিলেন। এরপর নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হন।

আসলে সেই সময় কেশুভাই প্যাটেলের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছিল এবং অন্যদিকে উপ নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যের কয়েকটি বিধানসভা আসন হারিয়েছিল।

কেশুভাই প্যাটেলের হাত থেকে বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং তাকে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্বভার দেওয়া হয়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী রূপে নরেন্দ্র মোদী:

তিনি যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে জয়ী হয়েছেন সেই দিনটি ছিল ২৬ শে মে ২০১৪, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং এইভাবে তিনি দেশের ১৫ তম প্রধানমন্ত্রী হন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার কাছ থেকে মানুষ অনেক আশা করতে শুরু করেন।

বিভিন্ন রকম নিয়ম, পারমিট, এবং পরিদর্শন বাস্তবায়ন করেছেন। যাতে ব্যবসা এবং আরও অন্যান্য কাজ খুবই সহজে বৃদ্ধি পায় এবং আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া নরেন্দ্র মোদী হিন্দুত্ব, পরিবেশ রক্ষা, প্রতিরক্ষা, শিক্ষাকে উৎসাহিত করার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।

২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে তিনি আবার জয়যুক্ত হন তিনি দ্বিতীয়বারের মতো আবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে জয়ী হলেন। নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করেছেন আর ভারতবাসী আশা করেন যে গতবারের মতো সমগ্র দেশবাসীর প্রত্যাশা, আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন তিনি।

  • নরেন্দ্র মোদীর স্থায়ী ঠিকানা: 
  • সি ১, সোমেশ্বর, টেরামেন্ট রানীপ, আহমেদাবাদ, গুজরাট- ৩৮২৪৮০
  • বর্তমান ঠিকানা:
  • ৭, লোক কল্যাণ মার্গ, নয়া দিল্লি- ১১০০১১
  • সোশ্যাল মিডিয়া: ফেসবুক, টুইটার

নরেন্দ্র মোদী র সম্পর্কে আকর্ষণীয় তথ্য: 

তিনি যখন সবেমাত্র ৮ বছরে পা দিয়েছেন, সেই সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সংস্পর্শে আসেন অর্থাৎ আরএসএস (RSS) সংস্পর্শে আসেন।

১৯৭০ সালের মাত্র ২০ বছর বয়স এ আর এস এসের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পূর্ণ সময়ের প্রচারক হয়ে ওঠেন এবং ১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আর.এস.এস. -এ যোগদান করেন।

নরেন্দ্র মোদীর বিভিন্ন পদে কর্তব্যরত থাকা সাল গুলি সম্পর্কে জানা যাক:

২০০৭ সাল:

২০০৭ সালে ২৩ ডিসেম্বর নরেন্দ্র মোদী মনি নগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। বিধায়ক হিসেবে গুজরাট বিধানসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদী এই জয় পেয়ে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি সেই বার কংগ্রেসের দিশা প্যাটেল কে হারিয়ে জয়ী হন।

২০১২ সাল: 

গুজরাটের মনি নগর থেকে জয়লাভ করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী, সেবারের স্বেতা ভট্ট কে হারিয়ে জয়যুক্ত হন। ২০১২ সালে তিনি চতুর্থবারের মতো দেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০১৪ সাল: 

২০১৪ সালে দেশের জন্য প্রথমবার সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন নরেন্দ্র মোদী। ২০১৪ সালের ২৬ শে মে তিনি শপথ গ্রহণ করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাছাড়া এক্ষেত্রে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কথা হল, ভারতের স্বাধীনতার পর জন্মগ্রহণকারী প্রথম প্রধানমন্ত্রী হলেন, এই নরেন্দ্র মোদী।

২০১৯ সাল: 

২০১৪ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করার পর পাঁচ বছরের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তারপর আবার তিনি পাঁচ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ গ্রহণ করেন। এই নির্বাচনে তিনি বিপুল পরিমাণ ভোটে জয়ী হন।

শৈশবকালে বিলাসিতার ছিটে ফোটাও ছিল না যার জীবনে, সংসারের অনটন কমাতে চায়ের দোকান দিয়েছিলেন। সেই বালক পরবর্তীতে সমগ্র দেশের প্রধানমন্ত্রী। খুবই অল্প বয়স থেকে তার অদম্য ইচ্ছা, সাহসিকতা তাঁকে এতদূর পর্যন্ত নিয়ে আসতে সাহায্য করেছে।

জনগণের অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার সাথে তিনি আজও তাঁর প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। আশা করা যায় তিনি দেশের জন্য অনেক উন্নতি মূলক কাজ করবেন।

Leave a Comment