প্রতিবেশীদের উপদ্রব এর বিরুদ্ধে কি করবেন? আইনি পধক্ষেপ নিয়ম

File a Harassment Complaint Against a Neighbour in Bengali: আপনার প্রতিবেশী কি উপদ্রব করছে বা কোন অত্যাচার করছে? এর বিরুদ্ধে কি করবেন? | প্রতিবেশীদের উপদ্রব থেকে রেহাই পাবার জন্য আইনি পদক্ষেপ ও নিয়ম | জানুন প্রতিবেশী উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায় ও আইনি সহায়তা।

আমাদের বেঁচে থাকতে গেলে সমাজের উপরে নির্ভর হয়ে থাকতে হয়। যেখানে বসবাস করা হয় তার আশেপাশে অনেক পাড়া-প্রতিবেশীদের নিয়ে আমাদের জীবনযাত্রা।

প্রতিবেশীদের উপদ্রব এর বিরুদ্ধে কি করবেন? আইনি পধক্ষেপ নিয়ম
প্রতিবেশীদের উপদ্রব এর বিরুদ্ধে কি করবেন? আইনি পধক্ষেপ নিয়ম

আর সেই কারণে বলা হয়ে থাকে, যদি আপনার আশেপাশের পরিবেশ এবং প্রতিবেশী খুবই ভালো হয়ে থাকে, তাহলে আপনার জীবনযাত্রা অনেকটা সহজ হয়ে ওঠে। আর যদি সেই প্রতিবেশি খারাপ হয়ে থাকে তাহলে আপনার সেখানে অন্য রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

সুচিপত্র

উপদ্রব / অত্যাচার আসলে কি?

সাধারণত উপদ্রবের মধ্যে এমন কিছু বিষয় শামিল থাকে যা কিনা কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধন করতে পারে। সেই ব্যক্তিকে অপমানিত করতে পারে, তার সাথে সাথে কোন ব্যক্তিকে শারীরিক এবং মানসিক দুই রকম ভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আক্রমণত্মক, হুমকি ভরা কথা, অবাঞ্ছিত খারাপ ব্যবহার, কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, এই সব কিছু শামিল রয়েছে।

উপরোক্ত বিষয়ের উপরে নির্ভর করে সমস্ত রকম বয়েস, জাতি, রং, লিঙ্গ, ধর্ম, রাষ্ট্র, গর্ভাবস্থা, যৌন পরিস্থিতি, বিকলঙ্গতা, ইত্যাদি বিষয়ের উপর নির্ভর করে হতে পারে।

এর মধ্যে আপত্তিজনক কোনরকম কথা অথবা জোকস, অপমানজনক টিপ্পনী কথা, আপত্তিজনক নাম ধরে ডাকা ও পর্যন্ত শামিল রয়েছে। তার সাথে রয়েছে শারীরিক অত্যাচার ইত্যাদি।

আপনার প্রতিবেশী দ্বারা অত্যাচারিত:

প্রতিবেশী দ্বারা অত্যাচারিত বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে বেশ গম্ভীর রূপ ধারণ করে থাকে। আর যদি আপনি এই বিষয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তাহলে কিন্তু সেটা খুবই জটিল পরিস্থিতি তৈরি করে।

আর এটি খুবই চিন্তিত করার মতো বিষয়, কেন না আপনি বাহ্যিকভাবে প্রতিবেশী দের সাথে তো রয়েছেন কিন্তু তাদের সাথে কোনভাবেই মিশে যেতে পারছেন না। কেননা তারা আপনার বিরুদ্ধে এমন কিছু মন্তব্য করে থাকেন, এমন কিছু অত্যাচার করে থাকেন, যেটা আপনি কখনোই সহ্য করতে পারবেন না।

আপনার প্রতিবেশী থেকে কিছু প্রকারের অত্যাচার আপনার উপর হতে পারে, যেটা নিয়ে আলোচনা করা হলো: 

  • মৌখিক দূরব্যবহারের মাধ্যমে অত্যাচার।
  • অনুপ্রবেশের মাধ্যমে অত্যাচার।
  • বাদমায়েশির মাধ্যমে অত্যাচার।
  • যৌন অত্যাচার।
  • আপনার অধিকার লংঘন করে অত্যাচার।
  • উপদ্রব এর মাধ্যমে অত্যাচার।

১) মৌখিক দুর্ব্যবহারের মাধ্যমে অত্যাচার:

এই ভাবে অত্যাচার করার মধ্যে সাধারণত মুখে এমন কিছু কথা বলা হয় বা আপনার উপরে চিৎকার করা বলতে গেলে বা অন্য কোন খারাপ নাম ধরে চিৎকার করে ডাকা, আপনার উপরে বিভিন্ন ধরনের টিপ্পনী কথা বলা হতে পারে। আর এই ক্ষেত্রে কিন্তু সাবধান থাকাটা জরুরি।

কেননা এর মধ্যে দিয়ে মানহানিও হতে পারে। এই জন্য সব সময় আপনার একটি নিজস্ব উকিলের সাথে পরামর্শ করুন, উকিলের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে আপনার প্রতিবেশী দের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

২) অনুপ্রবেশের মাধ্যমে অত্যাচার:

দেখা যাচ্ছে কোন প্রতিবেশী আপনার সম্পত্তিতে বা আপনার ঘরের আশেপাশে বেআইনিভাবে বা বলতে গেলে বিরক্তিকরভাবে প্রবেশ করে থাকেন তখন সেই ব্যক্তি জেনেশুনে আপনাকে রাগানোর জন্য এমন প্রতিক্রিয়া করে থাকেন।

এটা কিন্তু ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুসারে অনুপ্রবেশ একেবারে দন্ডনীয়। যদি সেটা বেআইনি হয়ে থাকে, যদি আপনার প্রতিবেশী খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার সম্পত্তিতে অনুপ্রবেশ করে থাকেন, তাহলে কিন্তু এটা অপরাধমূলক কাজ।

৩) বদমায়েশির মাধ্যমে অত্যাচার:

ধরুন কোনো রকম সম্পত্তি রূপান্তর করা হয়েছে সেখানে আপনারই ক্ষতি হয়েছে, আপনার সম্পত্তির কোন প্রকার ক্ষতি, পরিবর্তন অথবা বিনাশ হয়েছে, কোনরকম বদমায়েশির কারণে।

তাই এই বদমায়েশির মতো অত্যাচার ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুসারে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। আপনি এর বিরুদ্ধে আইনি পরামর্শ নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন, আপনার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে।

৪) আপনার প্রতিবেশী দ্বারা যৌন অত্যাচার:

এ বিষয়ের প্রতি আপনাকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখাটা জরুরি যে, যৌন অত্যাচারের বিরুদ্ধে মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্তমানে যদি আপনার প্রতিবেশী খারাপ ভাষায় আপনাকে কোন কিছু বলে থাকেন, বা খারাপ চোখে দেখে থাকেন, তাহলে কিন্তু এটা যৌন উত্তেজনার মধ্যেই পড়ে, বলতে গেলে এই সম্বন্ধে আপনাকে ভয় দেখিয়ে থাকেন।

দয়া করে এমন প্রতিবেশী থেকে সাবধান থাকুন। সুনিশ্চিত করতে পারেন যে আপনার বাচ্চাকে ঘরে কখনো একা রাখবেন না, যৌন অত্যাচারের বিরুদ্ধে সব থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ গুলো, আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারেন।

৫) আপনার নিজের অধিকার কে লংঘন করে অত্যাচার:

যেমন ধরুন প্রতিনিয়ত আপনার পিছু নেওয়া, আপনার সম্পত্তিতে প্রবেশ করা, আর আপনাকে সমস্ত দিক থেকে হ্যারাসমেন্ট করা, আপনার নিজের অধিকারের লঙ্ঘন করা প্রতিবেশী দ্বারা আপনার সম্পত্তি, আপনার নিজের কথা শোনা ইত্যাদি মতো বিষয় রয়েছে।

তাছাড়া আপনার কোন বিষয়ে অহেতুক নাক গলানোর মত বিষয়টিও আপনাকে বিরক্ত করে তুলতে পারে। তবে এক্ষেত্রে একেবারেই চুপচাপ না থেকে ওদের সাথে যোগাযোগ করুন, আর পুলিশের সাহায্য নিতে পারেন।

৬) উপদ্রব এর মাধ্যমে অত্যাচার:

উপদ্রব এর মাধ্যমে অত্যাচার, উপদ্রব বিভিন্ন রকমের হতে পারে, যার মধ্যে দিয়ে কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা যেতে পারে তার প্রতি এমন ব্যবহার করা যেতে পারে বা সেই ব্যক্তির স্থায়ী মাথা যন্ত্রণার কারণ হতে পারে।

যদি আপনার প্রতিবেশী রাতে খুব জোরে গান-বাজনা চালয়ে থাকেন এবং তাতে আপনার খুবই অস্বস্তি হয়ে থাকে, এটাও কিন্তু আপনার প্রতিবেশী দ্বারা উপদ্রব বলা যেতে পারে। উপদ্রব সার্বজনীন এবং নিজস্ব দুই রকম ভাবে হতে পারে।

এর মধ্যে যেমন ধরুন আপনার প্রতিবেশী তার কুকুর দিয়ে আপনাকে কামড় দেওয়ানো, প্রতিবেশীদের ঘর থেকে অহেতুক চিৎকার-চেঁচামেচি, আপনার ঘরের আশেপাশে জঞ্জাল নোংরা আবর্জনা জড়ো করা ইত্যাদি বিষয়ও কিন্তু সামিল রয়েছে।

আপনাকে আগেই নির্ধারিত করতে হবে যে প্রতিবেশীর এই কাজকর্ম অপরাধমূলক নাকি সেই প্রতিবেশি সমস্যামূলক কিছু: 

উপদ্রব লম্বা সময় পর্যন্ত চলতে পারে। তাছাড়া সবসময় এটা মনে হয় না যে, আপনি আপনার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা দায়ের করতে পারেন।

হতে পারে আপনার প্রতিবেশীর এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেটা আপনার কাছে অপরাধমূলক মনে হলেও সেটা তার কাছে সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। যাতে আপনার কোন রকম ভূমিকা নেই। আপনাকে বিরক্ত করা অথবা আপনার জন্য কোনরকম উদ্দেশ্য নেই।

যদি আপনার প্রতিবেশী আপনাকে রাগানোর জন্য অথবা বিরক্ত করার জন্য সেই উদ্দেশ্য নিয়ে এমন কিছু কাজকর্ম করে থাকেন, তাহলে সেটা কিন্তু অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। আপনি সেই ক্ষেত্রে মামলা দায়ের করতে পারেন।

তবে বিষয়টি কিছুদিন দেখার পরে ভালো মতন বুঝে শুনে তবেই সেই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। না হলে আপনার সাথে সাথে সেই প্রতিবেশিরও কিন্তু অনেক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

যদি আপনার প্রতিবেশী আপনাকে বিরক্ত করে থাকেন, তো আপনি কি করবেন ?

এখানে বেশ কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো আপনি ফলো করতে পারেন, প্রতিবেশীদের এই সমস্ত ব্যবহারের বিরুদ্ধে কোন কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য:-

১) প্রমাণ জড়ো করুন:

আপনি আপনার প্রতিবেশী যা কিছু করছে তার ছবি তুলে রাখতে পারেন অথবা ভিডিও করে রাখতে পারেন। পরবর্তীতে এই সমস্ত বিষয় আপনার কাছে প্রমাণ হিসেবে থাকবে।

২) পুলিশে ফোন করুন:

আপনি 100 নাম্বারে কল করতে পারেন। আপনার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে এই সমস্ত বিষয়গুলি জানানোর জন্য পুলিশকে ফোন করতে পারেন। পুলিশ তার ঘরে পৌঁছে মামলা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবেন।

৩) প্রতিবেশীর সাথে ঝামেলায় জড়াবেন না:

এটা খুবই মুশকিল এবং কঠিন কাজ। তবুও কিন্তু আপনি যতটা পারেন নিজেকে কন্ট্রোল করে প্রতিবেশীর সাথে ঝামেলায় না জড়ানোর চেষ্টা করুন। এমন কোন প্রমান রাখবেন না যেখানে আপনাকে দোষারোপ করা যেতে পারে।

যেমন ধরুন আপনাকে উপদ্রব্যের মাধ্যমে বিরক্ত করার মধ্যে দিয়ে আপনাকে রাগানো হলো সে ক্ষেত্রে যদি আপনি সেই প্রতিবেশীর উপরে চিৎকার চেঁচামেচি করে হিংসাত্মক পদক্ষেপ যদি গ্রহণ করেন, তাহলে কিন্তু সেখানে যদি সেই প্রতিবেশি আপনার ভিডিও অথবা অডিও রেকর্ড করেন, তাহলে আপনি নিজেই বিপদে পড়বেন। তাই ঠান্ডা মাথায় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

৪) প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করুন:

কোনরকম চিৎকার চেঁচামেচি না করে যখন দেখছেন যে সহ্য এর সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে তখন আপনার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

তাছাড়া এর সব সময়ের জন্য এই মানে হয় না যে, পুলিশ একবার এই এই বিষয়ের ক্ষেত্রে বা মামলার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য যাবেন বা বিষয়টি দেখার জন্য যাবেন।

এটাই কিন্তু এমন একটি পদক্ষেপ যেটা আপনি যে সেই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বিরক্ত হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন তার রেকর্ড অথবা লিখিত প্রমাণ পত্র বলতে পারেন।

৫) আপনি একটি নিরোধক আদেশের জন্য ফাইল করতে পারেন:

আপনি নিশ্চিত রূপে আপনার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বিশেষ ভাবে অত্যাচার আর কিছু করার বা পিছু নেওয়া মত মামলাতে নিরোধক আদেশের জন্য ফাইল করতে পারেন।

এটি বিচারালয়ের একটি অস্থায়ী আদেশ যা কিনা ব্যক্তিকে কোনরকম বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বাধা দিতে পারে, এটি কোন ব্যক্তিকে কারো কাছে যাওয়া এবং যোগাযোগ করা থেকেও বিরত রাখতে পারে।

৬) এই মামলাকে সৌহার্দ্যপূর্ণ হিসাবে নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করুন:

সবথেকে ভালো বিষয় হল যদি আপনি মামলাটিকে প্রতিবেশীর সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে খুবই ভালভাবে বিষয়টি সমাধান করতে পারেন, তাহলে খুবই ভাল। কেননা আপনি যেখানে থাকবেন সেখানে আপনাকে প্রতিবেশীদের সাথেই বাঁচতে হবে।

তাই অযথা রাগা রাগি, মারামারি, কেস, মামলার দিকে না গিয়ে যদি আপনি এই বিষয়ে তাকে বুঝিয়ে বলতে পারেন তবে কিন্তু বিষয়টা অনেক সুন্দর ভাবে মিটে যেতে পারে।

তাছাড়া আপনার সাথে আপনার প্রতিবেশীর শত্রুতাও তৈরি হলো না এবং আপনার বিপদে-আপদে এই প্রতিবেশীই কিন্তু আপনাকে সহযোগিতা করতে পারেন।

প্রতিবেশীর দ্বারা অত্যাচারের মামলাতে আপনার একটি উকিলের প্রয়োজনীয়তা কেন পড়বে?

প্রতিবেশীর দ্বারা অত্যাচার অনেক সময় সীমা লংঘন করে। আর তাছাড়া এই মামলাও কিন্তু অন্যরকম সহজ পরিস্থিতি নয়। তাছাড়া উপদ্রবের জন্য দণ্ডনীয়, আর যদি আপনার প্রতিবেশী দ্বারা আপনাকে বিরক্ত করা হয়ে থাকে, তাহলে কোনো ভালো উকিল কে আপনি নিযুক্ত করতে পারেন এই মামলাতে।

একজন উকিল আইনী বিশেষজ্ঞ হয়ে থাকেন। তাই এই বিষয়ে আপনাকে সঠিক ধারণা দিতে পারবেন। পরিস্থিতি বোঝার পরামর্শ দিতে পারবেন।

সেখানে আপনার প্রতিবেশী আপনাকে উদ্দেশ্য করে এমন কিছু করছেন নাকি সেটা তার সমস্যা তার জন্য সেটা করছেন, সেখানে আপনার কোন রকম ভূমিকা নেই, সেটা বোঝার জন্য একজন উকিলের প্রয়োজনীয়তা আপনার পড়তে পারে। এছাড়া সমস্ত রকম প্রমাণ পত্র আদালতে হাজির করার জন্য আপনাকে সম্পূর্ণ রূপে সহযোগিতা করতে পারেন।

এখন সব কিছু অনলাইনের মাধ্যমেই সম্ভব, তাই অনলাইনে কোন উকিলের সাথে যোগাযোগ করুন এবং এ বিষয়ে আপনার জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন করতে পারেন, যেটা আপনার জন্য খুবই সহজ সাধ্য হবে আর সমস্যার সমাধান করতে পারবে খুবই সহজে।

Leave a Comment