Debendranath Tagore (1817-1905) Father of Rabindranath Tagore

Debendranath Tagore (1817-1905)
Father of Rabindranath Tagore.
Married to Saradasundari Devi in1834

He was eldest son of Dwarkanath Thakur. He learned Upanishada and Vedantdarshan from Ramchandra Vidyabagish. He adopted Brahmo Dharmo, the religion introduced by Raja rammohon Roy. It was 21’’ December 1843. His father died in 1846. A religion and courageous man as he had been he avoided the common idolatry custom to perform his father’s last rites. Instead he chose the shlokas from upanishada and offered his respects to his father’s soul. The relatives and then society did not approve of his decision and outcasted him. Later he collected shlokas from Upashada and prepared the first volume of ‘Brahmodharma’. In the second volume he compiled selected passages from the Upanishada and laid down certain fundamental principal of Monothcism for the members of the samaj. He came to be called Maharshi, which means one who is both saint and sage, who lives in the pesece of God and has attained the highest knowledge. He was a reformist indeed and was against the prejudices of the Hindu Samaj. The religious reformer, amalgamated his own new-born Sabha with the older Brahma Samaj in 1843. Maharshi travelled widely in India – in those days before the spread of railways when traveling was full of hazards and was a real adventure. It was he who visualized a Brahmo Charyasham in Bolepur and bought 20 Bighas of land. Rabindranath who gave the shape to it was only a child at that time. He died in 1905 at Kolkata. 



দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮১৭-১৯০৫)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবা
সারদাসুন্দরীদেবীর সঙ্গে বিবাহ মার্চ ১৮৩৪

রবীন্দ্রনাথের পিতা এবং দ্বারকানাথের জ্যৈষ্ঠপুত্র । এই দম্পতির ৯ পুত্র ও ৬ কন্যার মধ্যে ৩ পুত্র ও এক কন্যা শৈশবেই মারা যান। চতুর্দশ সন্তান ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। জীবিত পুত্রদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথেই সর্বকনিষ্ঠ। ব্রহ্মধর্ম গ্রহণ তাঁর জীবনে নিশ্চিত ভাবেই অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঘটনা। পিতা দ্বারকানাথের মৃত্যুর পরে তিনি চরাচরিত প্রথা অনুসারে শ্রধানুষ্ঠান করেননি। সমাজের কাছে তাতে ধিকৃত হতে হলেও নিজে বিশ্বাস বিসর্জন দিতে সম্মত ছিলেন না তিনি। নিজ বিশ্বাসে অবিচলিত দৃঢ়তা তার চরিত্রের  অন্যতম গুণ। তাঁর ভ্রাতা গিরীন্দ্রনাথ ব্রহ্মধর্মে দীক্ষিত হওয়া সত্তেও হিন্দুমতেই শ্রদ্ধাদি সম্পন্ন করেন। এর থেকে ঠাকুরবাড়িতেও  দু’টি ভাগের সূচনা হয়। দেবেন্দ্রনাথ অনন্যমনা হয়ে ধর্ম ও দর্শনের পাঠে ও চিন্তায় নিজেকে নিয়োগ করেন। দ্বারকানাথের মৃত্যুর পরে ঋণের বিপুল বোঝা নিয়ে তিনি অতি সাধারণ জীবনযাপন করে ঋণশোধের দ্বায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। জীবনের অনেকটা সময় তিনি দেশভ্রমণে অতিবাহিত করেন। উত্তর ভারতের মথুরা, লাহোর অমৃতসর, সিমলা প্রভৃতি স্থানে তিনি একাধিক বার গমন করেন। তাঁর পুত্রদের অনেকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।