Saradasundari Devi (1826-1875) Mother of Rabindrnath Tagore


Saradasundari Devi (1826-1875)
Mother of Rabindrnath Tagore.


Sarada Devi,wife o Maharshi, gave birth to thirteen children. Rabindranath was the youngest among them. She was very happy to listen to young Ravi as he recited the Ramayana in the original Sanskrit of Valmiki. The ladies had known this epic in its Bengali
Saradasundari Devi (1826-1875) Mother of Rabindrnath Tagore
Saradasundari Devi (1826-1875)
Mother of Rabindrnath Tagore
version only; the original was a mystery to which none but the leaned had access. ‘Do read us Ramayana, Rabi dear,’ the proud mother would coax. No coxing was needed. The prodigy was only too eager to around the audience. Among them was the youngest daughter-in-law (Kadambari Devi) of the family. Whose admiration he craved most.  ‘you  must read this to Dwijendra,’ the mother said. The boy’s heart sank. The young pretender would soon be caught by the learned brother. Summoned by the mother, Dwijendra arrived. ‘Just hear Rabi read Valmiki Ramayana, how splendidly he does it!’ She passed away when Rabindranath was only 13 years old.


Bangla Bhumi


সারদাসুন্দরী দেবী (১৮২৬-১৮৭৫)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা


দেবেন্দ্রনাথের বিবাহ হয় যোশোহর দক্ষিণডিহি-নিবাসী রামনারায়ন চৌধুরীর কন্যা সারদাসুন্দরী দেবীর সঙ্গে মার্চ, ১৮৩৪-এ। সারদা দেবী প্রকৃত অর্থে শিক্ষিতা ছিলেন না সত্য, কিন্তু একেবারে নিক্ষরও ছিলেন না। কাজকর্মের অবসরে সারাদিন একখানি বই তাঁর হাতে থাকতই। তিনি পতিভক্তি পরায়ণা ছিলেন। সংস্কার সত্ত্বেও স্বামীর ধর্মমতকে অনুসরণ করতে দ্বিধা করেননি। তাঁহার মনটি শিশুর মত
সারদাসুন্দরী দেবী (১৮২৬-১৮৭৫) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা
সারদাসুন্দরী দেবী (১৮২৬-১৮৭৫)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা

কোমল ছিল। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন প্রথমবার পিতার সঙ্গে পাহাড়ে ভ্রমনের পরে ফিরে নানা কাহিনী বলে মাকে আশ্চর্য করে দেওয়ার কথা-‘পাহাড় হইতে ফিরিয়া আসার পর ছাদের উপরে মাতার বায়ুর সেবনসবায় আমিই প্রধান বক্তার পদ লাভ করেছিল্ম।... আমি পিতার কাছে স্বয়ং মহর্ষি বাল্মীকির স্বরচিত অনুস্টুপ ছন্দে রামায়ন পড়িয়া আসিয়াছি, এই খবরটাতে মাকে সকলের থেকে বেশি বিচলিত করিতে পারিয়াছিলাম। তিনি অত্যন্ত খুশি হইয়া বলিলেন, ‘আচ্ছা বাছা, সেই রামায়ন আমাদের একটু পড়িয়া শোনা দেখি!’বড়দাদা আসিতেই কহিলেন, ‘রবি কেমন বাল্মীকির রামায়ন পড়িতে শিখিয়াছে একবার শোন্ না!’ চাণক্য্যশ্লাক তাঁর বিশেষ প্রিয় পাঠ ছিল। দেবেন্দ্রনাথও পত্নীকে সংসারে একটি মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলেন। দ্বারকানাথ ঠাকুর এস্টেটে সারদা দেবীর নামে তিনি একটি ডিপোজিট এ্যাকাউন্ট সৃষ্টি করেছিলেন ২৪ হাজার ৭শ’ তাকা দিয়ে এবং তাঁর সমস্ত উপস্বত্ব স্রদা দেবীই ভোগ কতেন। তাঁর মৃত্যু হয় আনুমানিক ৪৯ বত্সর বয়সে।