Madhurilata (1886 - 1918) Eldest daughter of Rabindanath Tagore


Madhurilata (1886 - 1918)
Eldest daughter of Rabindanath


Madhurilata was fondly called ‘Bela’, ‘beli’ of ‘Beliburi’ by the poet. Fair in complexion, she was very beautiful. Apat fom some letters, the childhood of Madhurilata has become immortal in the character of

‘Mini’ in the story ‘Kabuliwala’. Her education got underway at home under the guidance of three British lady teaches and other three teachers. She used to study with her father too. The poet sought advice from Sister Nivedita regarding his daughter’s education. Alongside literature she was also trained in 
Madhurilata (1886 - 1918) Eldest daughter of Rabindanath Tagor
Madhurilata (1886 - 1918)
Eldest daughter of Rabindanath Tagor

western & country music. Even training in nursing was part of her growing. Sarat, the son of poet Biharilal Chakraborty, was a  talented student of Calcutta University. Madhurilata got married to him. She formed ‘Ladies Committee’ at Muzzaffarpur with her friend Anurupa. They were the joint secretaries. Late established ‘Chamman Girls School’. Saratchandra was very interested in studies. Apart from translation, he lend his touch in three stories of Madhurilata is found. ‘Suro’, ‘Matashatru’, ‘Satpatra’. ‘Anadita’ ‘Chor’ etc. stories were published in ‘Bharati’, ‘Prabashi’ and in ‘Sabujpatra’. Everyday the poet visited her place when she was down with a deadly disease. One day, upon his visit he heard the sound of cry which made it clear that she was no more. On his return to Jorasanko, he carried on his daily rituals, never let out his emotions of sorrow in public. 



Bangla Bhumi

মাধুরীলতা (১৮৮৬ - ১৯১৮)
রবীন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠা কন্যা
স্বামী শরত্চন্দ্র চক্রবর্তী 


মেয়ের নাম মাধুরীলতা, কবির বড় আদরের বেলা, বেলি বা বেলুবুড়ি। ফরসা রং, অপরূপ সুন্দর মুখ। কিছু চিঠিপত্র ও স্মৃতিকথা ছাড়াও বেলার শৈশব চিরকালের মতো ধরা আছে ‘কাবুলিওয়ালা’ গল্পের মিনির মধ্যে। মাধুরীলতা পড়েছেন বাড়িতে। তিনজন ইংরেজ শিক্ষয়িত্রী এবং তিনজন শিক্ষকের কাছে শিখতেন লেখাপড়া। এছাড়া পড়তেন বাবার কাছে। কবি মেয়ের শিক্ষার ব্যাপারে পরামর্শ নিয়েছিলেন ভগিনী নিবেদিতার। দেশি-বিলিতি গান, সাহিত্য, এমনকী নার্সিং পর্যন্ত শিখিয়েছিলেন। কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর পুত্র
মাধুরীলতা (১৮৮৬ - ১৯১৮) রবীন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠা কন্যা
মাধুরীলতা (১৮৮৬ - ১৯১৮)
রবীন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠা কন্যা
শরৎ- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের কৃতি ছাত্র। তাঁর সঙ্গে মাধুরীলতার বিবাহ হয়। সখি অনুরূপাকে নিয়ে মাধুরী মজঃফরপুরে গড়ে তুলেন ‘লেডিজ কমিটি’ যুগ্ম সম্পাদিকা হলেন দুজনেই। তারপর প্রতিঠা করলেন একটা গার্লস স্কুল, ‘চ্যাপম্যান বালিকা বিদ্যালয়’। লেখাপড়ার আগ্রহ ছিল শরৎকুমারের, তিনি খুব পড়তেন। অনুবাদ ছাড়া মাধুরীর তিনটে গল্পে নতুনত্ব এবং শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। এখনও পর্যন্ত মাধুরীর লেখা আটটি গল্পের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ‘সুরো’, ‘মাতাশত্রু’, ‘সৎপাত্র’, ‘অনাদৃতা’, ‘চোর’, প্রভৃতি গল্প ছাপা হয়েছিল ‘ভারতী’, ‘প্রবাসী’ ও ‘সবুজপত্রে’। মারণ রোগে আক্রান্ত হলে কবি প্রতিদিন তাঁর অতপ্রিয় বেলাকে দেখতে যেতেন। একদিন উপস্থিত হয়ে বাড়িতে কান্নার রোল শুনে বুঝতে পারলেন কন্যা আর ইহলোকে নেই। জোড়াসাঁকোর বাড়িতে ফিরে ফিরে দৈনিক কার্য নির্বাহ করেছিলেন। কাউকে জানতে দেননি তাঁর বেদনার কথা।