Kadambari Devi (1859-1884) Wife of jyotirindranath Thakur


Kadambari Devi (1859-1884)
Wife of jyotirindranath Thakur  
Natun Bauthn (new sister-in-law was very close to the poet) 

Jyotirindranath married Kadambai in 1868. She with her husband live in the second floor, opened into a large roof-terrace which she turned into a garden. She loved flowers and he loved birds. While young Rabi
Kadambari Devi (1859-1884) Wife of jyotirindranath Thakur
Kadambari Devi (1859-1884)
Wife of jyotirindranath Thakur
admired the flowers and plants she grew in tubs on the roof, he hated the sight of bids in cages and would quarrel with her for keeping them. She poured affection on him and yet constantly teased and snubbed him for fillings, real or imaginary, so as not to make the precocious boy too conscious of his attainments. She herself was a genuine lover of literature and music and had a keen and sharp sensibility. It was she who gave him a taste for the lyrics o Biharilal Chakravarty, a contemporary whom the young Rabi grew to admire an admiration which had some influence his own poetic development. ‘My sister-in-law would rather listen to my reading aloud than read for herself. There were no electric fans then, but as I read I shared the benefits of her hand fan. On 19 April 1884, Kadambari Devi, Rabindrnath’s  favourite  sister-in-law, who had been his life-long playmate, friend and more than a mother to him, suddenly committed suicide. 

She was great sorrow of his life, his first experience of the terrible reality of death. 

“….when death come and what had been there as part of life become suddenly a gaping void, I felt utterly lost. Everything else had remained than they, for I had felt he touch on every aspect of my being – only she was not there, she vanished like a dream. The terrible paradox baffled me…..”

Bangla Bhumi

কাদম্বরী দেবী (১৮৫৯-১৮৮৪)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নতুন বৌঠান 

রবীন্দ্রনাথ নতুন বৌঠান সম্পর্কে লিখেছেন, ‘সাহিত্যে বউঠাকুরানীর প্রবল অনুরাগ ছিল। বাংলা বই তিনি যে পড়িতেন কেবল সময় কাটানোর জন্য তাহা নহে- তাহা যথার্থই তিনি সমস্ত মন দিয় উপভোগ করিতেন। তাঁহার সাহিত্যচর্চায় আমি অংশী ছিলাম।... আমার অহঙ্কারকে প্রশয় দিলে তাহাকে দমন করা দুরূহ হইবে এ
কাদম্বরী দেবী (১৮৫৯-১৮৮৪) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নতুন বৌঠান
কাদম্বরী দেবী (১৮৫৯-১৮৮৪)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নতুন বৌঠান
কথা তিনি নিশ্চয় বুঝিতেন- তাই কেবল কবিতা সম্বন্ধে নহে, আমার গানের কণ্ঠ সম্বন্ধেও তিনি আমাকে কোনো মতে প্রশংসা করিতে চাহিতেন না।... খুব ভালোবাসতুম তাঁকে। তিনিও আমায় খুব ভালোবাসতেন। এই ভালোবাসায় নতুন বৌঠান বাঙ্গালী মেয়েদের সঙ্গে আমার প্রাণের তার বেঁধে দিয়ে গেছেন।...’ রানী চন্দের বর্ণনায় আছে রবীন্দ্রনাথ তাঁর শেষ সময়ে বলেছেন, ‘নতুন বৌঠান মারা গেলেন, কী বেদনা বাজল বুকে। মনে আছে সে সময়ে আমি গভীর রাত পর্যন্ত ছাদে পায়চারি করেছি আর আকাশের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে বলেছি ‘কোথায় তুমি নতুন বৌঠান, একবার এসে আমায় দেখা দাও।... 

সেইসময়ে আমি এই গানটাই গাইতুম বেশী-
আমার প্রাণের পএ চলে গেল কে/ বসন্তের বাতাস্তুকুর মতো...’       ‘সে যে চলে গেল বলে গেল না/ সে যে কোথায় গেল ফিরে এল না...’